আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরায় কমেনি জিরার দাম

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় জিরা আমদানি বেড়েছে ৩৮৮ টন।

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় জিরা আমদানি বেড়েছে ৩৮৮ টন। তবে আমদানি বাড়লেও কমেনি মসলাপণ্যটির দাম বরং প্রকারভেদে বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বাজারের মেসার্স ঠাকুর স্টোরের স্বত্বাধিকারী দুলাল চন্দ্র সাহা বণিক বার্তাকে জানান, গতকাল তার প্রতিষ্ঠানে ভারত থেকে আমদানীকৃত জিরা বিক্রি হয়েছে ৬৬০-৬৭০ টাকা কেজি দরে। এ সময় সিরিয়া ও ইরান থেকে আমদানীকৃত জিরার দাম ছিল কেজিপ্রতি ৮৮০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগেও ভারতীয় জিরার দাম ছিল ৬০০-৬২০ টাকা এবং ইরান ও সিরীয় জিরার দাম ছিল কেজিপ্রতি ৮০০-৮২০ টাকা। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘‌কোরবানির ঈদ উপলক্ষে পাইকারিতে সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও জিরার দাম বাড়ার ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হবে।’

এদিকে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি হয়েছে ২ হাজার ২২১ টন, যার মূল্য ছিল ৭৪ কোটি ৩ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় ১১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা মূল্যের ২ হাজার ৬০৯ টন জিরা আমদানি হয়েছিল।

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, কোরবানি ঈদের কারণে সব ধরনের মসলার চাহিদা বেড়ে গেছে। এজন্য আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, সম্প্রতি তার প্রতিষ্ঠানে কোরবানি ঈদের কারণে জিরাসহ অন্যান্য মসলাজাত পণ্য আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

আরও